৫৮ ফিলিস্তিনিকে নির্বিচারে হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের নিন্দা

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের দিন সোমবার গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায় ইসারায়েলি সেনারা। এতে নিহত হয় অন্তত ৫৮ ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারী।

আহত হয়েছে প্রায় তিন হাজার। গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, তুরস্ক, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা।

গতকালের এ ঘটনাকে হত্যাযজ্ঞ উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে তুরস্ক। ইসরায়েলের হামলাকে অসংযত এবং আগ্রাসী আখ্যা দিয়ে দেশটি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাও রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নেয়। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মঘেরিনি এ ধরনের আগ্রাসন বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়ানক এ হামলার ঘটনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয় কুয়েত। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার মুখে তা আটকে যায়। তবে ইসরায়েলের পক্ষে নিজেদের পোক্ত অবস্থান আবারও জানাল যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র রাজ শাহ জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি নাগরিকের মৃত্যুর পুরো দায় হামাসের। তিনি দাবি করেন, হামাস পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে।

যদিও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এটিকে হামাস থেকে নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষার অভিযান বলে দাবি করছেন।