জেরুসালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের জবাব পাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল: ইরান

ইরানের পরমাণু সমঝোতাকে দুর্বল করা এবং তেল আবিব থেকে জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের যে পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নিয়েছে তার জবাব দেয়া হবে। সোমবার এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ড. আলী লারিজানি।

১৪ মে সোমবার তেহরানে মুসলিম দেশগুলোর আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়নের ফিলিস্তিন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

Loading...

ইসরাইল ১৯৬৭ সালে জেরুসালেম শহর দখল করে নেয়। আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মহল এই দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু মার্কিন সরকার গায়ের জোরে ১৪ মে এই শহরে নিজের দূতাবাস কার্যক্রম উদ্বোধন করেছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আলী লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জানা উচিত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং ফিলিস্তিনি ইস্যুতে তাদের পদক্ষেপকে বিনা জবাবে ছেড়ে দেয়া হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে গত মঙ্গলবার ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এর আগে গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প ইসরাইলের মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুসালেমে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন যা ১৪ মে বাস্তবায়িত হয়।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এ সম্পর্কে আরো বলেন, মার্কিন সরকার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক সংকটে ভুগছে এবং দেশটি আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে অপরিপক্ক ও হঠকারি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ফিলিস্তিনিরা প্রতিরোধ না করলে ইসরাইল এতদিনে আরো বহু আরব দেশ দখল করে নিত।

এদিকে জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ডেকেছিল ফিলিস্তিনিরা। সেই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের কারণ দেখিয়ে ইসরাইলি বাহিনী গুলি ও আগুন ছুড়ে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৫২ ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন অন্তত ১ হাজারের বেশি মানুষ।

Loading...