ছাত্রী মিমের পড়াশুনার দায়িত্ব নিলো স্থানীয় প্রশাসন

অর্থের অভাবে গত এক মাস ধরে বাড়িতে বসে বসেই অলস সময় কাটাচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রথম সেমিষ্টারের মেধাবী ছাত্রী শারমিন আকতার মিম। এ বিষয়ে খবর কয়েকদিন আগে ‘দৈনিক নয়া দিগন্ত’সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ হলে তা মূর্হুতে ভাইরাল হয়ে যায়। দেশ-বিদেশ থেকে ফোন আসতে থাকে।

এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুশফিকুর রহমানকে বিষয়টি অবগত করেন। এতে তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে স্ব-শরীরে মিমের বাড়িতে উপস্থিত হন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা খন্দকার মুশফিকুর রহমান তার পিতা-মাতার সাথে মিমের লেখাপড়ার বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং মিমকে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

তিনি মিমকে বলেন, তুমি কোন চিন্তা কর না, তোমার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে। উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা তারেক এলাহী, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মামুনুর রশিদ, সাংবাদিকবৃন্দ, সমাজসেবী আবদুল হাই বাদশা প্রমূখ।