এই মাত্র পাওয়া: চরফ্যাসনে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদের কামড়ে দিল কুকুর, হাসপাতালে ৪৩ জন ভর্তি

দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে যারা হাসপাতালে চিকিত্সা নিয়েছেন তারা হলেন রমজান, হাছান, আহাদ, রাকিব, শাকিব, আছিয়া, হূদয়, বিবি আছিয়া, মোহিন, নিয়াজ, তানিশা, লাইজু, কামাল, রফিকুল ইসলাম, মোকছেদ ঢালী, আ. রহিম, নিয়াজ আল মাহমুদ, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, মো. হোসাইন, ইতু, কুলছুম, আদনান, ওবায়েদুর রহমান, সাথী, ইদ্রিস ও পারভেজ।/

পর্যটন এলাকা খ্যাত চরফ্যাসন উপজেলায় গত দুই দিনে পৌরশহরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ওয়ার্ডে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী, পুরুষ এবং শিশুসহ কমপক্ষে ৪৩ জন আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন পৌর মেয়র বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ।/

কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে শনিবার ১৭ জন এবং রবিবার ৯ জনসহ মোট ২৬ জন জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক জাহিদ হোসেন নিশ্চিত করেছেন। বাকিরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।/

চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শোভন কুমার বসাক জানান, জেলা সদর হাসপাতালে ভেকসিন সরবরাহ আছে কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ না থাকায় আমরা দিতে পারছি না। আমরা জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে ভেকসিন নেওয়ার জন্য আক্রান্ত রোগী এবং তাদের স্বজনদের পরামর্শ দিচ্ছি।/

অন্যদিকে চরফ্যাসন পৌর শহরের পর্যটন স্থানগুলোতে রয়েছে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। কুকুর আতঙ্কের বিষয়টি পর্যটকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে কিছুটা ভীতির দেখা মিলে পর্যটকদের মাঝে। অচিরেই এই বেওয়ারিশ কুকুরের নিধন না করলে পর্যটকসহ পৌরবাসীর জীবনযাত্রা ঝুঁকির মুখে থাকবে বলে জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।/

রোগীদের অভিযোগ, কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে এলেও মিলছে না ভ্যাকসিন। ফলে তারা বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে চড়া দামে ভেকসিন কিনতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক অসচ্ছল পরিবার টাকার অভাবে ভ্যাকসিন না দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রোগীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বলে জানা গেছে।/