এক বুযুর্গ কবরস্থানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন আপন মনে , হটাৎ গোরস্তানে

কবরস্থানের পাশ দিয়ে-এক বুযুর্গ কবরস্থানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন আপন মনে , হটাৎ গোরস্তানে কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ শুনতে পেলেন।

সামনে পিছে তাকিয়ে কাউকে খুঁজে পেলেন না ।

বুযুর্গ উপায়ন্তর না দেখে চোখ বুঝে মোরাকাবায় বসলেন। দেখতে পেলেন,

একজন ব্যক্তি কবরে বসে নামাজ পড়ছে । বুযুর্গ কবরের ভিতর বসে নামাজের কারণ

জানতে চাইলেন। কবর থেকে জবাব এলো

ভাই! আমি

পৃথিবীতে হাফেযে কুরআন ছিলাম।এতো অধিক পরিমান নামাজ পড়েছি যে, কুরআনের স্বাদ এখনো

মুখে লেগে আছে।

তাই মৃত্যূর পর আল্লাহর কাছে নামাজের অনুমতি প্রার্থনা করলাম। আল্লাহ অনুমোদন দিলেন। মৃত্যূ হতে

আজ অবধি চারশত বছর যাবত নামাজ পড়ছি । শোনা মাত্রই উপরের বুযুর্গ বলে উঠলেন

“সুবহানাল্লাহ“।

কবরের ব্যক্তি বললেন, ভাই! আমার চারশ বছরের নামাজ আপনি নিয়ে যান।

আপনার মাত্র একবার #সুবহানাল্লাহ বলার সওয়াব আমাকে দেন।

কবরের ঐ লোক বললেন :

” আমি এখন প্রতিদান জগতে অবস্থান করছি।

তাই আমার বর্তমান আমলের কোন মূল্য নাই।

আপনি দুনিয়াতে আমলের জগতে আছেন। আমার চারশত বছরের নামাজের চেয়ে আপনার #সুবহানাল্লার মূল্য অনেক বেশী।

বন্ধুরা ! আমি,

আপনি,

আমরা এখন আমলের

জগতে অবস্থান

করছি।

আমাদের আজকের

আমলই আগামী

দিনের

পাথেয়। তাই আসুন আমরা দোয়া করি দুনিয়ার জগতে আল্লাহ যেন

আমাদের বেশি বেশি আমল করার

তৌফিক দান করেন

আমিন