আবারও অালোচনায় উঠে এলো মুসা বিন শমসেরের নাম

আজ বৃহস্পতিবার শুল্ক ফাকি ও সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখার গরমিল হিসাব দাখিলের অভিযোগে ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পুনরায় ১২ অগাস্ট ধ্ররয করেছে আদালত।এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোনো প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেননি। সে জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন নতুন তারিখ ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা রেঞ্জ রোভার গাড়ি ভোলা বিআরটিএর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। মুসার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন তিনি।

শুল্ক গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, গাড়িতে ২.১৭ কোটি টাকার শুল্ক করাদি জড়িত। শুল্ক গোয়েন্দার জিজ্ঞাসাবাদে প্রিন্স মুসা লিখিতভাবে জানান, ‘সুইস ব্যাংকে তার ৯৬ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে।’

কিন্তু তিনি ওই টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাননি। কয়েকবার নোটিশ দিলেও তিনি তা জমা দেননি।

এদিকে গত ২১ মার্চ প্রিন্স মুসার গুলশানের বাড়িতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে একটি রেঞ্জ রোভার গাড়ি জব্দ করেন। পরে ঢাকা কাস্টম হাউসে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে একটি মামলা করা হয়।

একই সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সংযোগ থাকায় তা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়।গত ৩১ জুলাই গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।