পাবনার আকাশে অদ্ভুত আলোক রশ্মি, মানুষের মধ্যে এ নিয়ে কৌতুহল

পাবনার আকাশে সুর্যের চারিদিকে একটি অদ্ভুত গোলাকার ‘বলয়’ বা ‘রিং’ টাইপের আলোক রশ্মি নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। পাবনায় এ ধরণের রশ্মি এই প্রথম দেখা যায় বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তীব্র রৌদ্র উজ্জল পরিবেশে এমন ঘটনা ঘটে। রশ্মিটি দেখে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন এবং কিছুটা ভীতি ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। আলোক রশ্মিটি দেখতে অনেকেই ভীড় জমায়। অনেকে ছবি তোলে আবার অনেকে ভয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এটির কোন খারাপ কিছু নয়, এটির নাম ‘হ্যালো’।

প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে দেড় টা পর্যন্ত পুর্বাকাশে সুর্যের চারিদিকে একটি অদ্ভুদ গোলাকার ‘রিং’ টাইপের আলোক রশ্মির সৃষ্টি হয়। কিছু টা রংধনুর মত দেখালেও এটি কালো বৃত্তাকার ছিল। অনেকে এটিকে কোন প্রাকৃতিক সংকেত হিসেবে অভিহিত করেন। আবার কেউ বলেন, এটা তেমন কিছু নয়। তবে মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। দেড়টার দিকে রশ্মিটি আকাশে মিলিয়ে যায়।
পাবনার ব্যবসায়ী দেওয়ান কামাল বলেন, আমরা ৬০ বছরের জীবনে আমি এ ধরণের জিনিস দেখিনি। তাই ফটো তুলেছি।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এএইচএম মঞ্জুর মামুন বলেন, আমাদের মত নি¤œ অক্ষাংশের দেশে এটি সাধারণত দেখা যায়না। তাই মানুষের মধ্যে এত কৌতুহল। মধ্যে অক্ষাংশ বা উর্ধ অক্ষাংশের দেশে এটি প্রায়ই দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, এটিকে অনেকে অশুভ সংকেত মনে করলেও এটি কোন খারাপ কিছু নয়, এটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘হ্যালো’। এটি প্রবল বৃষ্টিপাত বা ঝড়ের লক্ষণও হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, উর্ধাকাশে মেঘ বা বরফের সুক্ষ কনা যখন সুর্যের অথবা চাঁদের চারিদিকে থাকে তখন এ রকম বলয় বা হ্যালোর সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি রংধনু নয়।