সৌদি আরবের মসজিদে নববীর সাবেক খতিব গ্রেফতার

তরুণ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি তার দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতেনানামুখী সংস্কার-কার্যক্রম হাতে নেন।দেশ থেকে দুনীতি মুক্ত করতে চান এ প্রিন্স। তারি লক্ষে জারা দুনীতির সাথে জড়তিদের আটক করা হচ্ছে।গতকাল সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এক জ্যেষ্ঠ খতিবসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়িতে অভিযানে আটক করা হয়েছে তাদের। কুদস প্রেস ইন্টারন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি এমন তথ্য জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।আরো বলা হয়, গতকাল শুক্রবার আল-মসজিদ আল-নববীর সাবেক খতিব শেখ আলী বিন সাঈদ আল-হাজ্জাজ আল-ঘামদিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দেশটির রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে যাদের ওপর দমনমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়, তাদের বিষয়ে নিয়মিত খবর তুলে ধরে ‘দ্য প্রিজনারস অব কনসিয়েন্স টুইটার অ্যাকাউন্ট’। সেখানেও তাদের আটকের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।বলা হচ্ছে, শেখ ঘামদিকে তার ভাই এবং আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সৌদি সিকিউরিটি ফোর্সের অভিযানের সময় ওই বাড়িতে আরো পাঁচজন শেখ উপস্থিত ছিলেন। তাদেরও আটক করা হয়েছে।সম্প্রতি শেখ সফর আল-হাওয়ালিকে আটক করা হয়েছে।

বিশিষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তি হিসেবে খ্যাতি রয়েছে তার। দেশের বেশ কিছু নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্টভাষী হিসেবেও সুপরিচিত তিনি। সৌদির মাটিতে আমেরিকার সেনাদের অবস্থানের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রতিবাদী ছিলেন তিনি। তাকে আটকের সপ্তাহখানেকের মধ্যেই শেখ ঘামদিসহ আরো ৭ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের খবর এলো।গত বছর থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিরোধীমত এবং মানবাধিকার কর্মীদের আটক করে যাচ্ছে।

পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়ার অভিযোগ এনে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে রাজ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য এবং প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের আটক করা হয়। ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মেদ বিল সালমান ‘অ্যান্টি-করাপশন ক্যাম্পেইন’ শুরু করেন।ক্ষমতায় চূড়ায় উঠতে ক্যাম্পেইনের অজুহাতে বিরোধী মতের ব্যক্তিদের দমনের অভিযোগ উঠেছে বিন সালমানের বিরুদ্ধে।