শিক্ষকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় গৃহবধূ, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিলো গ্রামবাসী

অন্য এক গৃহবধূর ঘরে শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে গণপিটুনি দিয়ে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে মাঠে ফেলে রাখে গ্রামবাসী। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া দেন তারা।গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোরে ভারতের উত্তর দিনাজপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ মণ্ডল ওরফে নন্দলাল স্থানীয় এক হাই স্কুলের শিক্ষক।ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে স্থানীয় বিলপাড়ার বিভা মণ্ডলের সঙ্গে শিক্ষক সুদীপ মণ্ডলের বিয়ে হয়। তাদের একটি চার বছরের পুত্রসন্তানও রয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত বিবাদের জের ধরেই প্রতিবেশী এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সুদীপ। প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করত।

Loading...

এই সুযোগে প্রায়ই ওই শিক্ষক নিজের বাড়িতে রাতে থাকতেন না। গত বুধবার রাতে স্থানীয় বিলপাড়ায় ওই বধূর ঘরে যান শিক্ষক। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের দেখে ফেলেন বাসিন্দারা। পরে তাদের দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি মাঠে ফেলে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।গ্রামবাসীদের তরফে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়।ঘটনার পরই ওই শিক্ষকের স্ত্রী বিভা মণ্ডল স্বামীর বিরুদ্ধে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান।

অন্যদিকে, গ্রামবাসীরাও তার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষকের কাছে।কানকি পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন সিংহ বলেন, ‘গ্রামবাসীদের তরফ থেকে অভিযোগ করা হলেও ওই শিক্ষকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

Loading...