যে কারনে ক্ষমা চাইলেন ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানের শপথ গ্রহণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। পূর্বে জানানো তারিখ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে না তার শপথ অনুষ্ঠান। তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) আগেই জানিয়েছিল ১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ইমরান খান। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে ১৪ কিংবা ১৫ আগস্ট।

এদিকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের দায়ে ক্ষমা চাইলেন পাকিস্তানের হবু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া লিখিত ক্ষমা প্রার্থণার আবেদন করেছেন তিনি। যাতে গেল ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আইন ভাঙার কথা উল্লেখ ছিল।

দুদিন আগে তেহরিকে ইনসাফ পার্টির চেয়ারম্যান ইমরান খানকে ক্ষমা চাইতে বলেছিল পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্বাচনের দিন ভোট দেয়ার সময় আড়ালে যাননি তিনি। প্রকাশ্যেই ভোট দিয়েছেন।

অভিযোগটি নিয়ে চার সদস্যের একটি বেঞ্চ গঠন করে নির্বাচন কমিশন। এটির শুনানি চলাকালে ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন জমা দেন ইমরান খান।

এদিকে, দেশটিতে গেল ২৫ জুলাইয়ের সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টের অধিবেশন ডেকেছেন প্রেসিডেন্ট মানমুন হোসেইন। পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী নাসিরুল মুলক প্রেসিডেন্টের কাছে অধিবেশন আয়োজনের আহ্বান জানালে, আগামী ১৩ আগস্ট দিন নতুন অধিবেশনের দিন ধার্য করেন প্রেসিডেন্ট।

ওই দিন সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পার্লামেন্টে যাবেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। সেদিনই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তেরহিক-ই-ইনসাফ-পি.টি.আই. নেতা ইমরান খানের শপথ গ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১১৬টি আসন পেয়ে বিজয়ী হয় পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ(পিটিআই)। আসছে ১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন দলটির চেয়ারম্যান ইমরান খান।