পাইকারি বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে আদার দাম, অপরিবর্তিত চালের

মাংস রান্নায় আদা না থাকলে, তরকারির স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা অপূর্ণ থেকে যায়। তাই ঈদুল আযহায় পেঁয়াজ রসুনের পাশাপাশি চাহিদার শীর্ষে থাকে আদা। ঈদের পরও বাড়তি চাহিদায় বেড়েছে মসলা জাতীয় এই পণ্যের দর।

ঈদের পর রাজধানীর পাইকারি বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে আদার দাম। প্রতি কেজি আদা কিনতে এখন ২০ থেকে ২৫ টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। পাইকাররা বলছেন, বাজারে দেশীয় আদার সরবরাহ কম।

Loading...

সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত নয় আমদানি করা আদার যোগানও। এরই প্রভাব পড়েছে দামে। পাইকারি বাজারে বাড়তি ডালের দরও। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে চালের বাজার।

মোহাম্মদপুর পাইকারি কৃষি মার্কেট ঘুরে, কোন দোকানেই দেখা মিললো না দেশি আদার। ঈদের আগে এই বাজারে প্রতি কেজি চীনা আদা বিক্রি হয়েছে ৮০-৮৫ টাকায়।

এ সপ্তাহের মধ্যেই ক্রেতাদের আনাগোনায় বেচাবিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন চালের আড়তদাররা।

অনেকটাই ক্রেতাশূন্য চালের বাজার। বিক্রি না থাকায় উঠানামা নেই মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ’সহ সবধরনের চালের দরদামে।

অথচ চলতি সপ্তাহের শুরুতেই এই দাম উঠেছে ১০৫ টাকা পর্যন্ত। আদার দর যখন লাগামহীন তখন কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে পেঁয়াজ, রসুন ও আলুর দাম। পাইকাররা জানালেন, এই তিন নিত্যপণ্য বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

উর্ধ্বমুখী সব ধরনের ডালের দাম। কেজিতে বেড়েছে ২-৪ টাকা পর্যন্ত। মানভেদে প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে, ৭৫-৭৮ টাকায়; মুগডাল ৬৫-৯৫ আর বুটের ডাল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭৫ টাকা দরে। বেড়েছে এলাচের দাম। তবে বাড়াকমা নেই লবঙ্গ, জিরা, দারুচিনি’সহ অন্যান্য মসলার দরে।

Loading...