ঘূর্ণিঝড় ‌তিতলির আঘাতে নিহত ২ জন

ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‌‘তিতলি’। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) ভোরে উড়িষ্যার গঞ্জাম জেলার গোপালপুরে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়টি।তিতলির আঘাতে গাছ উপড়ে পড়ে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ছে। ট্রেন ও বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় তিতলির তাণ্ডবে সৃষ্ট ভমিধসে ২ জন মারা গেছেন।

মৃতরা হলেন, রাজ্যটির শ্রীকাকুলাম জেলার সরুবুজ্জিলি গ্রামের মুড়ল্লা সুরিয়া রাও (৫৫) এবং থুড়ি অপ্পলা নরসম্মা (৬২)।টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ আক্টোবর) ভূমিধসে মুড়ল্লার বসতবাড়িটি ধসে পড়ার সময় ঘরের মধ্যে থাকায় তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে নরসম্মা গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা যান।উড়িষ্যার গোপালপুরে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতি ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার।

Loading...

অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলামে এই গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০- ১৬০ কিলোমিটার।উড়িষ্যার উপকূলবর্তী পাঁচটি জেলা থেকে তিন লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া চার জেলায় স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।ভারী বৃষ্টিতে বন্যার আশঙ্কায় উড়িষ্যার প্রতিটি জেলায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।

মুখ্য সচিব এ পি পাধি জানিয়েছেন, দুর্যোগে একজনেরও যেন প্রাণহানি না হয়, তার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য।এ বিষয়ে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, বুধবার (১০ অক্টোবর) রাত থেকে দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল ঘণ্টায় ১৪০-১৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় প্রবাহিত হয়।দেশটির দপ্তরের কর্মকর্তা এইচ আর বিশ্বাস বলেন, আগামী ১৮ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়াবে ঘূর্ণিঝড়টি। আগামীকাল ভোরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে সরে গোপালপুর ও কলিঙ্গপত্তনম হয়ে উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশ পৌঁছাবে এটি। এরপর গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের দিকে সরতে সরতে শক্তি কমবে তিতলির।

Loading...