তানোরে বাণিজ্যিকভাবে মালটা চাষ শুরু

এই প্রথমবারের মতো উপজেলার তানোর-রাজশাহীর মহাসড়কের পার্শে চান্দুড়িয়া গ্রামের মাঠে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মালটার। অন্যান্য ফলজ চাষের পাশাপাশি এবার চাঁন্দুড়িয়ার দেওতলার চাষি আব্দুল রাজ্জাক ১ বিঘা ৫ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন মালটার।

ব্যবসার পাশাপাশি রাজ্জাক মালটা চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। মে-জুন মাসে মাল্টার চারা রোপণ করে ২৪ মাস পর থেকে ফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি গাছে মালটা ধরেছে ৭০/৮০টি। এক বিঘা জমিতে ১০০টি মালটা গাছ রোপণ করা হয়েছে।

Loading...

রাজ্জাককে প্রতিটি মালটার চারা কিনতে হয়েছে ১০০ টাকা দরে। তাছাড়া মালটা ক্ষেতে সাথী ফসলও করা যায়। এখন মালটার পাক ধরেছে। ২/১ সপ্তাহের মধ্যে মালটা বাজারজাত করতে পারবেন তিনি।

বরেন্দ্র অঞ্চলের ক্ষরতাপময় তানোর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে মালটা চাষ। ইতিমধ্যেই এই মালটা চাষ করে আশানুরূপ ফলন ও এটি খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বেজায় খুশী চাষিরা। আগে অনেকেই দেখা গেছে শখের বশে বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা টবে মালটা গাছ লাগাতে। কিন্তু এখন বাণিজ্যিকভাবে এটির চাষ হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তরে।

তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, অন্যান্য ফলজ চাষের চেয়ে কম খরচে এবং অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় চাষিরা ঝুঁকছে বারি মালটা-১ চাষে। এবার এ উপজেলায় ৫৫ বিঘা জমিতে ৩৫ জন চাষি বারি মালটা-১ চাষ করেছে।

বরেন্দ্রভূমিতে এই মালটা চাষের অপার সম্ভবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। নানাগুণ আর ভিটামিন সমৃদ্ধ মালটা ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে তানোরের চাষিরা। তবে সরকারিভাবে চাষিরা মালটা চাষে আর্থিক সহায়তা পেলে এ উপজেলায় নিশ্চিত মালটা চাষ বৃদ্ধি পাবে এমনটিই আশা করছেন চাষিরা।

রাজ্জাক জানান, এ পর্যন্ত তার এক বিঘা জমিতে চাষ করতে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর এ এক বিঘা জমি থেকে মালটা বিক্রি করতে পারবেন এক লাখ টাকার।

Loading...