বয়স ৯৬, দিলেন পরীক্ষা, পেলেন ১০০-তে ৯৮

কথায় আছে, শেখার বয়স নেই। উপযুক্ত প্রমাণ কাত্যায়নী আম্মা। কিন্তু কেন?

মাত্র ৯৬ বছর বয়স। এই বয়সে একটি পরীক্ষায় ১০০-তে পেলেন ৯৮। অবাক হচ্ছন! কিন্তু কোনওভাবেই অবাক হচ্ছেন না কাত্যায়নী আম্মা। পরীক্ষা হল থেকে তিনি বললেন, “প্রশ্ন ভীষণ সহজ এসেছে।”

Loading...

বলছিলাম ভারতের কেরেলার ত্যায়নী আম্মা’র কথা। নিরক্ষর দূরীকরণ করতে ‘অক্ষরালক্ষ্যম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছে কেরেলা। যেখানে একটি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। সব বয়সের মানুষ ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনটি পর্বে পরীক্ষা হয়। লেখনী, পঠন এবং গণিত সমাধান। কাত্যায়নী আম্মা লেখনীতে ৪৯-এ ৩৮ পেয়েছেন। গণিত এবং পঠনে পুরো নম্বর ঝুলিতে পুরেছেন তিনি।

তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই বয়সে কী ভাবে অনুপ্রেরণা পেলেন কাত্যায়নী আম্মা? তিনি বলেন, কোনও কারণ ছাড়াই পড়তাম। কিন্তু এখানে প্রশ্ন ভীষণ সহজ এসেছে। কিন্তু এই বয়সে পড়াশুনা? ছোটো বয়সেই অভাবের তাড়নায় স্কুলছুট হয়েছিলেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে তাঁকে। ৬ ছেলে-মেয়েকে মানুষ করেছেন ঝাড়ুদার হিসাবে কাজে করে। কিন্তু অনুপ্রেরণা পেয়েছেন নিজের মেয়েকে দেখে। তাঁর মেয়ে ৬০ বছর বয়সে মাধ্যমিক পাশ করেছেন। কাত্যায়নী আম্মা ঠিক করেছেন ১০০ বছর বয়সে মাধ্যমিক দেবেন। চলতি বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘অক্ষরালক্ষ্যম’ অভিযান চালু করে কেরল সরকার।

Loading...