বাঁচার আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এক কিশোরীর চিঠি

কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার কৃঞ্চপুর কুমারপাড়া এলাকার মৃৎশিল্পী প্রশান্ত কুমার পালের বড় মেয়ে তনুশ্রী পাল (১৪)। দুই বোনের মধ্যে বড় তনুশ্রী বর্তমানে বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।২০১৫ সালে রংপুর ডক্টরস হাসপাতালে ডা. আনোয়ার হোসেন ও ডা. স্বপন কুমার নাথ তনুশ্রীর লিভার ওভারি টিউমার অপারেশন করেন।

পরবর্তীতে টিস্যু টেস্টে ‘ক্যান্সার’ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ভারতের কলকাতা কেয়ার ভিশন হাসপাতাল ও পরে হাওড়া নারায়ণা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল।জায়গা-জমি বিক্রি করে এতদিন চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করলেও বর্তমানে আর্থিক দৈন্যতার কারণে আটকে আছে তনুশ্রীর চিকিৎসা কার্যক্রম।

Loading...

অর্থ সংকুলান করতে না পেরে মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন অসহায় বাবা প্রশান্ত পাল। শেষমেষ বাঁচার আকুতি জানিয়ে চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে তনুশ্রী পাল। রোববার সকালে কুড়িগ্রাম প্রধান ডাকঘরে নিজ হাতে লেখা একটি চিঠি পোস্ট করে সে। সঙ্গে মনের সমস্ত রঙ দিয়ে আঁকা বঙ্গবন্ধুর একটি ছবিও পাঠিয়েছে তনুশ্রী।

দূরন্ত এ কিশোরীর বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্তু এখন নির্ভর করছে সুহৃদ কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের একটু সহায়তার ওপর।জেএসসি পরীক্ষার্থী এই মেধাবী শিক্ষার্থী এর আগে পিএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে সে। তার প্রতি সহায়তার হাত বাঁড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে তার পরিবারসহ সহপাঠীরাও।

Loading...