চালের দাম কমেছে, আরও কমার সম্ভাবনা

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় কেজিতে ২ টাকা পর্যন্ত কমেছে চালের দাম। বিক্রিও কিছুটা কম বলে জানালেন পাইকাররা। আর সপ্তাহ ব্যবধানে আদা, রসুনের দাম বাড়লেও কমতির দিকে পেঁয়াজের দাম। কমেছে সব ধরনের ডাল, চিনির দাম।

 

Loading...

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি বাড়ায় রাজধানীর বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরেই কমছে চালের দাম। বাজার ঘুরে দেখা গেল, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই বস্তা প্রতি ৫০ থেকে ১শ’ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ব্রি-২৮, গুটিস্বর্ণা, নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল। সরবরাহ সঙ্কটের আশঙ্কা না থাকায় চালের দাম আরও কমার সম্ভাবনার কথা জানালেন পাইকাররা।

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর কাচা বাজারের এক পাইকার বলেন, ‘ভারতীয় চালের আমদানি যদি এইভাবে সচল থাকে তাহলে দেশি চালের বাজার আরো কমবে।’

 

মসলা জাতীয় কাঁচাপণ্যের বাজারে সপ্তাহ ব্যবধানে আদার দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা আর রসুনের বেড়েছে ৫ টাকা। পাইকারি পর্যায়ে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। তবে, কয়েকদিন ধরে ওঠানামার মধ্যে থাকা পেঁয়াজের দাম একদিনের ব্যবধানে কমেছে ৩ টাকা পর্যন্ত। দাম আরও কমার সম্ভাবনার কথা বলছেন পাইকাররা।

 

নিত্যপণ্যের বাজারে প্রতি বস্তা চিনির দাম কমেছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, কেজিতে ২থেকে ৩ টাকা দাম কমেছে ডালের। তবে, দামের কোন হেরফের নেই এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ মসলার দর-দামে।

 

অনেকদিন ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে সয়াবিনের দাম। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন ৯৮ থেকে ১০৩ টাকায় আর প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৮৬ টাকায়।

Loading...