বাজারে এলো ১৬০ সিসির নতুন পালসার

তারুণের ক্রেজ পালসার এলো ১৬০ সিসিতে। মডেল পালসার এনএস ১৬০। প্রিমিয়াম সিরিজের এই পালসারটি ভারতের বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এটি বাংলাদেশের বাজারেও পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হয়েছে। কেননা, বাংলাদেশে ১৬০ সিসি পর্যন্ত মোটরবাইক আমদানির নিয়ম রয়েছে।

 

নতুন পালসারে আছে ১৬০.৩ সিসির এয়ারকুলড ইঞ্জিন। সিঙ্গেল সিলিন্ডারের এই বাইকটির ম্যাক্স পাওয়ার ১৫.২ বিএইচপি@৮৫০০ আরপিএম। এর সর্বোচ্চ টর্ক ১৪.৬এনএম@৬৫০০ আরপিএম।

 

পালসারের এই স্পোর্টস বাইকটিতে ১২ লিটার জ্বালানির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এর রিজার্ভ ট্যাংকের জ্বালানির ধারণ ক্ষমতা ২.৪ লিটার। বাইকটিতে ৪৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে।

 

৫ গিয়ার ট্রান্সমিশনের বাইকটিতে ওয়েট মাল্টিপল প্লেট ব্যবহার করা হয়েছে। বাইকটির ওজন ১৪২ কিলোগ্রাম। এর সামনের চাকায় হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনের চাকায় মেকানিক্যাল ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে।

 

কিক ও সেলফ দু্ভাবেই বাইকটি স্টার্ট দেয়া যাবে। তারুণের ক্রেজ পালসার এলো ১৬০ সিসিতে। মডেল পালসার এনএস ১৬০। প্রিমিয়াম সিরিজের এই পালসারটি ভারতের বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এটি বাংলাদেশের বাজারেও পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হয়েছে। কেননা, বাংলাদেশে ১৬০ সিসি পর্যন্ত মোটরবাইক আমদানির নিয়ম রয়েছে।

 

নতুন পালসারে আছে ১৬০.৩ সিসির এয়ারকুলড ইঞ্জিন। সিঙ্গেল সিলিন্ডারের এই বাইকটির ম্যাক্স পাওয়ার ১৫.২ বিএইচপি@৮৫০০ আরপিএম। এর সর্বোচ্চ টর্ক ১৪.৬এনএম@৬৫০০ আরপিএম।

 

পালসারের এই স্পোর্টস বাইকটিতে ১২ লিটার জ্বালানির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এর রিজার্ভ ট্যাংকের জ্বালানির ধারণ ক্ষমতা ২.৪ লিটার। বাইকটিতে ৪৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে।

 

৫ গিয়ার ট্রান্সমিশনের বাইকটিতে ওয়েট মাল্টিপল প্লেট ব্যবহার করা হয়েছে। বাইকটির ওজন ১৪২ কিলোগ্রাম। এর সামনের চাকায় হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনের চাকায় মেকানিক্যাল ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে।

 

কিক ও সেলফ দু্ভাবেই বাইকটি স্টার্ট দেয়া যাবে। এতে ড্রাইসেল ব্যাটারি রয়েছে। এর হেডলাইটে উজ্জ্বল আলো দেবে। টেইলে ব্যবহার করা হয়েছে এলইডি লাইট।

 

বাইকটির ফ্রন্ট সাসপেনশন টেলিস্কোপিক। রিয়ারে আছে নিট্রক্স সমৃদ্ধ মনো সাসপেনশন। অ্যালয় হুইলের চাকায় টিউবলেস টায়ার ব্যবহার করা হয়েছে। বাইকটিতে পাস লাইট রয়েছে। এর স্পিডোমিটার ডিজিটাল হলেও ট্যাক্টোমিটার অ্যানালগ। যদিও বাইকটিতে গিয়ার ইন্ডিকেটর নেই। আছে ফুয়েল গজ, ফুয়েল ওয়ার্নিং ইন্ডিকেটর এবং লো ব্যাটারি ইন্ডিকেটর।

 

নতুন অটোমেটিক হেডলাইট অন সিস্টেম রয়েছে। এতে বিএস ফোর ইঞ্জিন আছে।

 

ভারতের বাজারে বাইকটি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ হাজার ৩৬৮ রুপিতে। এটি বাংলাদেশে কবে আসবে সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

 

ভারতের বাজারে বাইকটি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ হাজার ৩৬৮ রুপিতে। এটি বাংলাদেশে কবে আসবে সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।