১৭ টাকা পেঁয়াজের কেজি!

পেঁয়াজ রপ্তানিতে বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন মূল্য তুলে নেয়ার পর পণ্যটি এখন অনেক কম দামে বাংলাদেশে আসছে। এতদিন যেখানে ভারত থেকে ৭০২ মার্কিন ডলারে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হতো, গত রোববার থেকে তা আমদানি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ মার্কিন ডলারে।

 

সে হিসেবে এক কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য দাঁড়ায় (আজকের ডলারের বিনিময় মূল্য অনুযায়ী) প্রায় ১৭ থেকে ২১ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে রপ্তানি মূল্য শিথিল করায় এলসি বাড়ছে। ভারত থেকে আমদানিও বেড়েছে। এখন দামও কমেছে।
পেঁয়াজের দাম আরো কমবে বলে জানান তারা।

 

হিলিবন্দরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমদানি বাড়ায় পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১২ থেকে ১৫ টাকা।

২ ফেব্রুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের নুন্যতম রপ্তানি মূল্য ৭০২ মার্কিন ডলারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ভারত।
ফলে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের বাজার মূল্য ২০০ থেকে ২৫০ মার্কিন ডলারে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।

 

পেঁয়াজ আমদানিকারকদের নেতা হারুন উর রশিদ জানান, বন্দরে পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব পড়েছে হিলির খোলাবাজারেও।
তিনি বলেন, আগে দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৪২ টাকা। এখন আর সেটা নেই। এখন দাম কমেছে।

 

আরেক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, রপ্তানি মূল্য শিথিল হওয়ায় এখন আমদানিকারকরা আনন্দিত। বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। গতকাল যে পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। তা আজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা।

 

তবে আমদানি মূল্য কম থাকলেও দেশের বিভিন্ন বাজারে এখনো খুব বেশি কমেনি পেঁয়াজের দাম।

রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, গেলো সপ্তাহে আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা।