একরাতে একই বাসায় ২ তরুণীকে সংঘবদ্ধধ’র্ষণ

একরাতে একই বাসায় দুই তরুণীকে সংঘবদ্ধধ’র্ষণের ঘটনা ঘটেছে। দুটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত একজন এখনো পলাতক রয়েছে।

সোমবার রাতে সাভারের আশুলিয়া উপজেলার উত্তর গাজীরচট ভূঁইয়াপাড়ার ফজল ভূঁইয়ার বাড়িতে এসব ধ’র্ষণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার উভয় ঘটনায় থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। দুই মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

গ্রে’ফতারকৃতরা হলো- ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির ম্যানেজার তুহিন আলম, কাইয়ুম ও সারজিল ইসলাম। গ্রে’ফতারকৃতরা উত্তর গাজীরচট এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, উত্তর গাজীরচট এলাকার ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া পোশাককর্মী তরুণীকে দীর্ঘ তিন মাস ধরে কু’প্রস্তাব দিয়ে আসছিল কাইয়ুম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি। কু’প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বাড়ির ম্যানেজার তুহিনের সহায়তায় তরুণীকে ধ’র্ষণের পরিকল্পনা করে কাইয়ুম।

সোমবার রাতে ওই তরুণী ঘর থেকে বের হলে কৌশলে অচেতন করে একই বাড়ির অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় কাইয়ুম ও তুহিন। সেখানে তরুণীকে রাতভর সংঘবদ্ধধ’র্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা। পরে ভুক্তভোগী তরুণী থানায় মামলা করলে অভিযান চালিয়ে কাইয়ুম ও তুহিনকে গ্রে’ফতার করে পুলিশ।

অপরদিকে, চাকরি দেয়ার কথা বলে আরেক তরুণীকে ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির পরিত্যক্ত কারখানায় নিয়ে যায় সজল। সেখানে আরেকজনের সহযোগিতায় তরুণীকে আট’কে রেখে সংঘবদ্ধধ’র্ষণ করে পালিয়ে যায় সজল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী মামলা করলে অভিযান চালিয়ে সজলকে গ্রে’ফতার করে পুলিশ। তবে সজলের সহযোগীকে এখনো গ্রে’ফতার করা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফজিকুল ইসলাম বলেন, উভয় গণধ’র্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় দুটি মামলা হয়েছে। দুই ঘটনায় তিনজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রে’ফতারকৃত তিনজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রে’ফতারের চেষ্টা চলছে। সূত্র : জাগোনিউজ২৪