মোদিকে খুশি করতে কাশ্মীর বিক্রি করে দিয়েছেন ইমরান খান: রেহাম খান

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুশি করতে বিক্রি করে দিয়েছেন ইমরান খান বলে অ*ভিযোগ করেছেন তারই প্রাক্তন স্ত্রী রেহাম খান। রেহাম খানের অভিযোগ, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের কথা আগেই জানতেন ইমরান খান। তিনি আরও বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুশি করার জন্য দিল্লির সঙ্গে চুক্তি করার চেষ্টা করেছেন ইমরান খান।এদিকে সব সময়ই সিদ্ধান্তহীনতায় ইমরান খান ভোগেন বলেও কড়া সমালোচনা করেছেন রেহেম।

তিনি আরও বলেন, ইমরান খান যেহেতু জানতেন তাহলে কেনো গত ৩-৪ মাস ধরে মোদিকে ফোন করে গিয়েছেন?রেহামের দাবি, কাশ্মীর বিক্রি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, মোদির দিক থেকে এই পদক্ষেপ সঠিক, কেননা তিনি এটা করবেন এমন শর্তেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এসেছেন। উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় ভারত। এরপর থেকে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে চরম উ*ত্তেজনা বিরাজ করছে। তথ্যসূত্র: নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, পাকিস্তান টুডে।

মুসলিম নারী ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার!

ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে যে মানুষটির নাম পাওয়া যায়, তিনি হলেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। কিন্তু ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত এই তথ্য নাকি সত্য নয়!

ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা নাকি করেছিলেন এক মুসলিম নারী। এই সত্যকে দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে গোপন করা হয়েছে।

ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে এমনটিই বলা হয়েছে। তার দাবি, ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা বানিয়েছিলেন দেশটির সিভিল সার্ভিস অফিসার বদরুদ্দীন তায়েবজী’র স্ত্রী সুরাইয়া তায়েবজী।

ট্রেভোরের দাবি, সুরাইয়ার করা নকশা পণ্ডিত জওহারলাল নেহেরুর ভালো লাগায় তিনি নিজের গাড়ীর বনেটে তা লাগিয়ে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেটাই ভারতের জাতীয় পতাকার মর্যাদা পায়।

এই নারী অহিংস স্বাধীনতা আন্দোলনেও অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। এই সত্যটিও কখনো সামনে আনা হয়নি। ভারতীয় ইতিহাসবিদদের লেখায় সুরাইয়ার নকশা করা পতাকার তথ্য পাওয়া যায় না।

তবে বিদেশি বেশ কিছু লেখকের লেখায় সুরাইয়ার কথা উঠে এসেছে। ফেরদৌস বেকনের ‘ভারতের ইতিহাস বিকৃতি ও সুরাইয়ার অস্বীকৃতি’ নামক লেখায়ও আছে এই ইতিহাসের বিস্তারিত।

তিনি লিখেছেন, ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে সর্বত্র যে নামটি পাওয়া যায় সেটি হলো পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। কিন্তু তিনি কী বাস্তবে ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার? না! বরং অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে এক মুসলিম নারীর নাম। যার নাম সুরাইয়া বদরুদ্দিন তায়েবজি।

সুরাইয়ার স্বামী ছিলেন বদরুদ্দিন ফাইজ তায়েবজি। তিনি ভারতীয় সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) অফিসার হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। সে সময়েই ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন তার স্ত্রী।

এরপর নেহরুর কাছে পতাকাটি নিয়ে গেলে তিনি তা পছন্দ করেন এবং তার গাড়িতে লাগিয়ে নেন। এরপর এ পতাকাটিই গৃহীত হয় ভারতের জাতীয় পতাকা হিসেবে।

কিন্তু ডিজাইনার হিসেবে অজ্ঞাত কারণে কখনোই সুরাইয়ার নামটি সামনে আসেনি। সুরাইয়া তায়েবজির তৈরি করা জাতীয় পতাকাটি প্রথম গৃহীত হয় ১৭ জুলাই ১৯৪৭ সালে। ভারতীয় ইতিহাসবীদের লেখায় সুরাইয়ার তৈরি করা পতাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে সুরাইয়ার নাম পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ এ ইতিহাসবিদ লিখেছেন, ‘ভারতের ইতিহাসের মাঝে চলমান বিতর্কের মাঝে আরেকটি হলো জাতীয় পতাকার ডিজাইন একজন মুসলমানের করা, (সুরাইয়া) বদর-উদ-দিন তায়েবজি।

ভারতের জাতীয় পতাকার কেন্দ্রে ২৪টি দণ্ডযুক্ত নীল ‘অশোকচক্র’সহ গেরুয়া, সাদা ও সবুজ আনুভূমিক আয়তাকার ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা। এ পতাকার কেন্দ্রে রয়েছে অশোকচক্র, যা সম্রাট অশোক নির্মিত সিংহ শীর্ষযুক্ত অশোকস্তম্ভ থেকে নেয়া।

সম্রাট অশোক হিন্দু-মুসলিম সবার নিকটই শ্রদ্ধেয় হওয়ায় এ অশোকচক্রও গৃহীত হয় সবার নিকট। স্বাধীনতা প্রাপ্তির কয়েকদিন পূর্বে ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই বিশেষভাবে গঠিত

গণপরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে ভারতের জাতীয় পতাকাকে সব দল ও সম্প্রদায়ের নিকট গ্রহণযোগ্য করে হতে হবে।